Land registry
If u pay process is fast and smooth. Otherwise file gets prolonged.
এলাকায় জমির মালিকানা মামলা নিষ্পত্তি বাবদ ৩ ব্যক্তির মধ্যে জমি কেনা-বেচা হয়। তার মধ্যে আমি একজন। আমাদের ৩ জনের মধ্যে ১জন ব্যক্তি মুমূর্ষু থাকায় সাব রেজিস্ট্রার অফিস যেতে অপারগ হলে ভেন্ডারের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়। পরবর্তীতে ভেন্ডার জানায় সাব রেজিস্ট্রার আসতে পারবেন কিন্তু প্রত্যেক দলিল বাবদ ২০ হাজার টাকা দিতে হবে, তবেই তিনি দলিলে সই করবেন। উপায়ান্তর না পেয়ে আমরা ৩ জনই রাজি হই। সেদিন সাব রেজিস্ট্রার এসে সই করে টাকা নিয়ে যায়। কিন্তু পরবর্তীতে আবার যেদিন অফিসে যেতে হয় সই দেয়ার জন্য, সেদিন আমার কাছে আরও অতিরিক্ত ৩ হাজার টাকা দাবি না করে। না দিলে নাকি সাব রেজিস্ট্রার ফাইল পাস করাবে না। এ অবস্থায় ভেন্ডারের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে আমি আরও ৩ হাজার দিতে বাধ্য হই।
If u pay process is fast and smooth. Otherwise file gets prolonged.
জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।
আমার জমি এর দলিল এর সংশোধন এর জন্য কোর্ট থেকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যথাযথ প্রসিডিউর (!) ফলো করে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো হয়। যিনি নকল বানাবেন উনি অতিরিক্ত চার্জ চান। আমি নেগোশিয়েশন করে একটু কম ধার্য করি। কাজ শুরুর আগে প্রায় অর্ধেক অ্যাডভান্স করার লাগে। কাজ শেষে বাকিটুকু দেই। না দিলে কাজ হত না এটা বলছি না। যেটা ২ সপ্তাহ লেগেছে সেটা হয়ত ৬ মাস বা তার বেশি লাগত।
আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।