সেবার নামে হরিলোট বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, জামালপুর-এ সেবর নামে হরিলোট হচ্ছে। এখানে সরকারি রশিদের পাশাপাশি সরকারি রশিদের মতই দেখতে রশিদের মাধ্যমে ইউজার ফি টাকা সংগ্রহ করা হয়। অথচ যে সব প্যাথলজি পরীক্ষার জন্য নিজেদের ছাপানো রশিদে টাকা নেওয়া হয়, সে সব পরীক্ষার রিয়েজেন্ট সরকারি ভাবেও সাপ্লাই নেওয়া সম্ভব। কিন্ত সে সব রিয়েজেন্ট সরকারি ভাবে গ্রহণ না করে সেবা কমিটির মাধ্যমে স্থানীয় ভাবে ক্রয় করে নিজেরা লাখ লাখ টাকা ভাগ করে নেয়। যাতে সরকার বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে। যে খানে ডোপটেষ্ট করতে মাত্র ২০০-৩০০ টাকার ডিভাইস লাগে , সেখানে সরকার নির্ধারিত ফি ৯০০ টাকা । কমপক্ষে ৩০০-৫০০ জনের ডোপটেষ্ট হয়। খরচ বাদে অতিরিক্ত টাকা নিজেরা ভাগ করে নেয়। এরকম আরও অনেক টেষ্ট যেমন CBC, S.Elactrolyte etc

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৫,০০,০০০
যে কাজের জন্য সেবার নামে হরিলোট
দপ্তর সরকারি হাসপাতাল
বিভাগ ময়মনসিংহ
থানা / উপজেলা জামালপুর
রিপোর্টের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সরকারি হাসপাতাল

রোগি ভর্তিকরণ

রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳৫০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ছাড়পত্র

কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা মেডিকেলে ৳১০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য