১)বিসিএস জবে জয়েন করার আগেই আমি এম্ফিল করেছিলাম। এমফিল করলে দুটো ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়।সেই ইনক্রিমেন্ট পাওয়ার জন্য আমার কোরবানি ঈদের (২০০৫ সালের দিকে সম্ভবত) বোনাস পুরোটা এডি, কলেজ শাখার জন্য ঘুষ হিসেবে পাঠাতে হয়েছিলো। ২) ভালো ভালো করলেগুলুর পোস্টিং হয় ঘুষের উপর। আমি টাকা দিতে পারিনি তাই মেধা তালিকায় একেবারে শুরুতে থাকার পরও আমি অনেক রিমোট কলেজে পোস্টিং পেয়েছি ৩) ২০০৯ এ আমি পিএইচডির জন্য একটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার পেয়েছিলাম। সেখান থেকে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষে সাতকানিয়া একাউন্টস ডিপার্ট্মেন্টে আমার সম্পুর্ণ ফার্মালিটি শেষ করার পরে আমার কাছে টাকা দাবি করে, কারণ সেই ব্যক্তির দাবি সে অনেক কষ্ট করেছে। অথচ, সে বেতন নিচ্ছেই এই কাজ করার জন্য।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।