সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
২০০ বছর ধরে পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার আদীবাসি রাখাইন সমপ্রদায় বসবাস, আদিবাসী দের নিকট হইতে মুসলিম বা হিন্দুদের নিকট জমি বিক্রয় করতে গেল শুরু হয় ,,,,,,, প্রথম আসা যাক জমির দালাল, ১, দর ঠিক করা হল লোকাল রেটেএর ৩ ভাগের ১ ভাগ, লাগবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর অনুমোতি পত্র , কাগজ পত্র নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর অফিস , ঘুষের টাকা ( চা খরচ ) দিতে হবে অফিস সহকারী ও পিয়ন কে জমির পরিমান বুঝে এর পর ১ সপ্তা থেকে মাস গড়াবে তাগেদা দিতে দিতে অফিস সহকারী বদলী অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ২ টি চিঠি ইসু করে উপজেলা ভুমি সহকারী কমিশনার ( ভুমি যাচাই বাচাই জন্য) ,অন্যটি চিঠি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বরাবর নাগরিত্ব যাচাইয়ের জন্য।ভুমি সহকারী তদন্ত প্রতিবেদন করতে পাঠান ইউনিয়ন ভুমি অফিসার বর
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।