অ্যাম্বুলেন্স বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

সময়টা কোনো এক কোরবানি ঈদের দিন। হঠাৎই পাশের বাড়ির একজন অসুস্থ হলে পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলাম। ট্রলি ম্যান টাকা নিল। গিয়ে দেখি কোনো ডাক্তার নাই। ডাক্তারের নম্বর ছিল বিধায় কল দিয়ে নির্দেশনা নিলাম। উনি আসলেন না, তবে রংপুরে নিয়ে যেতে বলল। রংপুরের জন্য অ্যাম্বুলেন্স খুঁজি, ড্রাইভার নাকি আছে একজন। উনি নানান কথা শুনালো। যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নাই। সরকারি অ্যাম্বুলেন্স তাও অনেক বেশি টাকা চাইলো। নির্ধারিত যা আছে তার দ্বিগুন। বাধ্য হয়েই দিতে হলো। অসুস্থ মানুষ তাদের কাস্টমার। লাভের বিরাট জায়গা। সেদিন নিজেকে খুব অসহায় মনে হয়েছে।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৪,০০০
যে কাজের জন্য অ্যাম্বুলেন্স
দপ্তর সরকারি হাসপাতাল
বিভাগ রংপুর
থানা / উপজেলা পঞ্চগড়
রিপোর্টের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সরকারি হাসপাতাল

রোগি ভর্তিকরণ

রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳৫০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ছাড়পত্র

কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা মেডিকেলে ৳১০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য