সিজার অপারেশন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

সরকারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোতে সিজার করতে গেলে কেবিন নিলে ৫ হাজার , আর ওয়ার্ডে ৩৫০০৳ করে নেয়। না দিলে সিজার করেনা। প্রতিটা রোগির বাধ্যতামূলক দিতেই হবে। আর ওষুধ কিনে দিতে হয় সেটা ঠিক আছে কিন্তু সরকারি হাসপাতালে বেড ভাড়া + অপারেশন ফি নেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষ এদের কাছে জিম্মি। কেউ প্রতিবাদ করলে তার হয়রানির স্বীকার হতে হয়। মানুষ এরকম অনিয়মকেই এখন নিয়ম মনে করছে। ভাবছে এটা হয়তো সরকারি রেট। কিন্তু এই টাকার কোনো মানি রিসিট দেওয়া হয়না। একটা রোগীও টাকা না দিয়ে সিজারের সেবা পায়না।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৫,০০০
যে কাজের জন্য সিজার অপারেশন
দপ্তর সরকারি হাসপাতাল
বিভাগ রাজশাহী
থানা / উপজেলা নাটোর
রিপোর্টের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সরকারি হাসপাতাল

রোগি ভর্তিকরণ

রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳৫০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ছাড়পত্র

কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা মেডিকেলে ৳১০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য