পাসপোর্ট এর আবেদন অফিসে জমা বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি নিজে নিজে অনলাইনের মাধ্যমে পাসপোর্ট এর আবেদন করে অতঃপর কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে যাই। কিন্তু তারা আমার এপ্লিকেশন জমা নিবে না। এই ভুল ওই ভুল বলে এই টেস্ট ওই টেস্ট বলে হয়রানি করে। এনআইডি কার্ডে পেশা দেয়া ছিল শ্রমিক আর পাসপোর্টে দিয়েছিলাম লেবার এ কারণে নাকি আমার পাসপোর্ট হবে না। অতঃপর তারা আমাকে একটি কম্পিউটারের দোকানদের নাম্বার দিয়ে বলে এ নাম্বারে যোগাযোগ করে সংশোধন করে আনেন। নম্বরে যোগাযোগ করলে বলে যে ২ হাজার টাকা দিতে হবে আপনাকে। আরে টাকা আমি অর্ধেক নেব ওই অফিসার অর্ধেক নিবে। তাই প্রয়োজন এর কারণে আমি তাদেরকে ঘুষ দিয়ে কাজটি করতে বাধ্য হই।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,০০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট এর আবেদন অফিসে জমা
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা কুমিল্লা
রিপোর্টের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য