MYC2NA7W

পাসপোর্ট বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি পাসপোর্ট করতে যাই। সকল কাজ সম্পন্ন করি।ষ এবং বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করি। রাতে বাসায় এসে দেখি পাসপোর্ট স্ট্যাটাস Local Rework হয়ে আছে মানে এপ্লিকেশন ফেরত এসেছে। গিয়ে জানতে পারি আমার এনআইডি ভেরিফাইড কপিতে পাসপোর্ট অফিসের কোনো কর্মকর্তা সিল সাইন না দেওয়াতে এপ্লিকেশন ফেরত এসেছে। কত বড় অব্যবস্থাপনা আর অপেশাদার ব্যবহার!! এখন মূল কাহিনী শুরু। এনআইডি ভেরিফাইড কপিতে পরিচালকের সাইন প্রয়োজন ছিলো, কিন্তু তিনি সাইন দিবেন না। হেন তেন বুঝায়, পরিচালক পাঠায় নিচতলায় আবার নিচতলা থেকে পাঠায় পরিচালকের কাছে। পরে বিরক্ত হয়ে পাসপোর্ট অফিসের পাশের দোকানের এক দালালকে ২০০০ টাকা বিকাশ করি। সেই দালাল সাইন করিয়ে নিয়ে আসে। আমার সকল ডকুমেন্ট সঠিক ছিলো শুধু সাইন তারা দিবে না।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,০০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ময়মনসিংহ
থানা / উপজেলা শহর
রিপোর্টের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ২ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭২ BRA9CLA5
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬ RJ6GQSK6
মন্তব্য