পাসপোর্ট বানানো বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি প্রথমে নিজেই আনলাইন থেকে আবেদন করেছি এবং ডেট আনুপাতে ফিঙ্গার আর ছবি তুলার জন্য সিরিয়ালে দাডিয়েছি। প্রায় ৪ ঘন্টা পর আমি গেট এর সামনে আসি। তারা আমার পেপার দেখতে চাইলো আমি দিলাম ঐ কমকর্তা কিছুখন দেখার পর বলো তুমি কি করো? আমি বলাম আমি স্টুডেন্ট সে বললো তোমার সাটিফিকেট কই তাকে তখন আমি আমার সাটিফিকেট দিলাম। সে দেখে বল্লো এটা হবে ঠিক করে নিয়ে আসুন। এর পর আমাকে কথা বলার কোনো সুযোগ দিলো না।যোর করে বের করে দিলো। এর পর অনেকক্ষণ ঘুরার পর আনেক দালাল এর সাথে কন্টাক করার পর এক দালাল এর মাধ্যমে ২৩০০ টাকায় সে আমাকে পেপার পিছে কয়টা সিল মেরেদিয়েছিল। এর নিয়ে গিয়ে জমা দেওয়ার পর ঐ একি কমকর্তা সে পেপার সাইন করে ভিতরে যারয়ার জন্য দিয়েছে

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,৩০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট বানানো
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা কুমিল্লা
রিপোর্টের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য