সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
প্রথমে মিস কেস করার জন্য এসিল্যান্ড অফিসে গেলে দ্রুত কেস নম্বর দেওয়ার কথা বলে ৩,০০০ টাকা দাবি করা হয়। ৩,০০০ টাকা দেওয়ার পর ৬ দিনের মধ্যেই কেস নম্বর পাওয়া যায় এবং তহসিল অফিসে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়। তহসিল অফিসে কোন টাক বা টাকা না দেওয়ায় প্রায় এক মাস পর শুনানির তারিখ দেওয়া হয়। শুনানি শেষে তহসিলদার দেখা করতে বলেন। দেখা করলে ২,০০০ টাকা দেওয়ার পরও বলেন, “এতে কম টাকায় কাজ হয়।” এরপর অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় আমার প্রতিবেদন প্রায় আড়াই মাস পর এসিল্যান্ড অফিসে জমা দেওয়া হয়। অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয়েছে, চাহিদামতো টাকা দিলে কাজ দ্রুত হয়, আর টাকা না দিলে ইচ্ছাকৃতভাবে মাসের পর মাস ফাইল ঘুরতে থাকে।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।