নাই বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকার থাকাকালীন আমাদের পঞ্চগড় জেলায় পাসপোর্ট করতে গেছিলাম তিনটা একটা আমার একটা আমার মেয়ের একটা আমার ওয়াইফের কিন্তু ৫ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট এর হলো তখন ছিল আমাদের এক একটা আনুমানিক ৪৪০০ টাকা করে কিন্তু তাহলে আমার দাঁড়ায় ১৩২০০ কিন্তু কাগজ পাতি সব ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও তারা আমার কাছে টাকা বেশি নেই কিন্তু দালাল ছাড়া টাকা নেয় না আবার সরাসরি তারা টাকা নেয় না আমি বলছিলাম যে ভাই আমার কঠিন সমস্যার ভিতরে যাইতেছি আমার মেয়ের চিকিৎসা করা লাগে টাকা যেটা হয় সেটাই নেন কিন্তু তারা নেননি কিন্তু কথা রাখেননি কি বলব আমরা সাধারণ জনগণ যখন বলি আমাদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না সরকারি লোকজন কি বলবো ভাই সরকারি কাজে যেখানেই যান টাকা ছাড়া কথা বলে না তারা খুব কষ্ট হয় আমাদের সাধারণ জনগণ মানুষের তারা ঘুষ

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৪,৮০০
যে কাজের জন্য নাই
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ রংপুর
থানা / উপজেলা পঞ্চগড়
রিপোর্টের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ২ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫১
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১
মন্তব্য