১৭ টি কাস্টম হাউজের আন্ডারে আইসিডি আছে রপ্তানিতে তারা ১৫০ টাকা করে নেয় ১৩০০০ ডকুমেন্ট হয়। ২০ লক্ষ বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

গতকাল আমার ডকুমেন্ট ছিল ছয়টি। তাই ৯০০ টাকা পেমেন্ট করতে হয়েছে। এটা চট্টগ্রামের সবাই জানে। ইমপোর্ট নিয়ে আলোচনা করলাম না। একটি রপ্তানি কার্যক্রম করার জন্য ছি নাম্বার পড়ে সফটওয়্যার থেকে । ১০৭২ cpc হলে ১৫০ টাকা প্রতি ডকুমেন্টটি দিতে হয়। প্রতিদিন অন্তত ১০ হাজারি নাম্বার পরে ১৫০ গুন ১০ হাজার কত টাকা হিসাব কর। Cpc ১০০০ হলে ১০০০ থেকে ১৫ হাজার পর্যন্ত টাকা লাগে। সিপিসি হাজার এক চল্লিশ হলে ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা লাগে। এটা আমরা প্রতিদিন পেমেন্ট করি। আমরা করতে বাধ্য। এটা চট্টগ্রাম কাস্টমার কমিশনার মহোদয় জানে। সব ডিপোর্ট কাস্টমসের টাকা কাস্টমসের পিউন দিয়ে কালেকশন করা হয়।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৯০০
যে কাজের জন্য ১৭ টি কাস্টম হাউজের আন্ডারে আইসিডি আছে রপ্তানিতে তারা ১৫০ টাকা করে নেয় ১৩০০০ ডকুমেন্ট হয়। ২০ লক্ষ
দপ্তর কাস্টমস অফিস
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা চট্টগ্রাম
রিপোর্টের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

কাস্টমস অফিস

Examine

জেটি কাস্টমস চট্টগ্রাম এর জয়েন কমিশনার — এর ছত্রছায়ায় অসাধু কর্মকর্তাদের একটি চক্র পণ্য পরীক্ষণে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করছে। নাহলে অযথা বিলম্ব করে নানাভাবে হয়রানি করে। এজন্য পণ্য খালাসে বিলম্ব হচ্ছে। অহেতুক মামলার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

ঘুষ দিইনি
চট্টগ্রাম ৳৫.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

Asssesment

চট্টগ্রাম কাস্টম এর শুল্কায়ন গ্রুপ ৪ এর সহকারী কমিশনার — একটি পণ্য চালান ছাড়ের ১৫০০০০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে পণ্য ডেমারেজ এর কথা চিন্তা করে ১২০০০০ টাকা দিয়ে সমাধান করা হয়। এই গ্রুপে অযথা পণ্য শুল্কায়ন ফাইলে হয়রানি হতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳১.৫০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানী

আমাদের কোম্পানীর একটি আমদানীকৃত মেশিনারি আমদানী পযায়ে এইচএস কোড ভূল ভাবে মূল্যায়ন করে আমদানী টেক্স বাবাদ প্রায় ১৫০,০০,০০০/- দাবী করা হয়। যা শতভাগ অন্যায় ছিল। কিন্তু আমাদের কোম্পানী নিরুপায় হয়ে ১৬,০০,০০০/- ঘুষ প্রদান করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে বাধ্য হয়। তা না হলে আমাদের কোম্পানীর আর ও বড় ক্ষতি হত। হ্যাঁ আমরা স্বীকার করছি কাজটি অন্যায় কিন্তু এ ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় ছিল না। আমরা যদি কাস্টমস এর সঙে এই ব্যাপারে উচ্চতর আপিল করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে যেতাম তা হলে অনেক সময় লাগত। ততদিনে বন্দর এর ডেমারেজ এবং শিপিং লাইনের ডেমারেজ সহ উক্ত মেশিনারি দ্বারা যেই পণ্য উৎপাদন করা হবে তাও হত না। এসব কথা বিবেচনা করে আমাদের কোম্পনী ঘুষ প্রদানে বাধ্য হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্রগ্রাম ৳১৬.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য