ময়মনসিংহ বিআরটিএ অফিসে ফিঙ্গার দিতে গিয়েছিলাম। আমার একটা ফিঙ্গারপ্রিন্ট এ সমস্যা ছিলো । আঙ্গুলের ছাপ নিচ্ছিলো না। তাদেরকে বললাম এখন করনীয় কি। তারা বললো বিআরটিএ হেড অফিসে যেতে হবে। রিকুয়েষ্ট করে বললাম আমার সব ঠিক আছে একটা আঙুলের ছাপ নিচ্ছে না বলে আমার আবেদন টা বাতিল হয়ে যাবে। তখন বললো তাদের করার কিছু নেই । তখন আমি বাধ্য হয়েই বের হতে যাচ্ছি এমন সময় তারা বললো কাউকে ধরেছেন কি? তখন আমি বুঝতে পারলাম দালালের কথা বলছে হয়তো । আমি বললাম যে আমি নিজেই আবেদন করছি আর আমি যথেষ্ট ড্রাইভিং পারি তো কাউকে ধরার তো প্রয়োজন নেই । তো বের হয়ে অনেকক্ষণ বসে রইলাম । একজনকে দেখলাম হাতে কাগজ নিয়ে ঘুরাঘুরি করছে । অনেকজনকে এটা সেটা জিজ্ঞেস করছে । তখন তাকে গিয়ে বললাম এমন সমস্যা । তারপর সে বললো ৫ হাজার টাকা লাগবে এখুনি দিচ
Made me fail every time until i went the unofficial route
selling drivers license for 12000 package. pay the money to the broker and they will pass you without having you sit for the exam. Pretty common scenario for Uttara BRTA.
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।
বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।