পাসপোর্টের আবেদন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি সকল কাগজপত্র নিজে ফিল আপ করে অনলাইনে অর্থ পরিশোধ করেছি। তারপর নির্ধারিত তারিখে আমি সিরিয়াল ধরে কাউন্টারে গেছি। বলে অরজিনাল এনআইডি নিয়ে আসেন। অথচ ফটোকপি দেওয়া ছিলো। এরপর বাহিরে গিয়ে অরজিনাল এনআইডি আবার বের করে লাইন ধরে য়ামনে গেছি। এবার সব দেখে বলে সব ঠিক আছে। অরজিনাল স্টুডেন্ট আইডিকার্ড নিয়ে আসেন; সত্যায়িত ফটোকপি দেওয়া ছিলো। আমি ৩০কি.মি দূর লাকসাম থেকে যাওয়ায় এটি সম্ভব ছিল না আনা। তাকে অনুরোধ করার পরও নিলো না। তারপর বাধ্য হয়ে কম্পিউটারে দোকানে যাওয়ার পর ২০০০টাকা দিলে সে ফাইল থেকে আরো কিছু কাগজ কমিয়ে ফেলে। তারপর একটা সিগন্যাল লেখার পর আবার লাইন ধরতে বলে। তারপর কাউন্টারে গেলে এবার কিছু না বলেই সিগনাল দেখে কাগজ জমা নিয়ে নেয়।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,০০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্টের আবেদন
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা কুমিল্লা
রিপোর্টের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য