DKTJLXCH

দলিল রেজিস্ট্রেশন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

বিল্ডিং এর জায়গায় খালি জমি দেখিয়ে দলিল করতে এই অর্থ দাবি করা হয় কোন রকম অফিসিয়াল চ্যানেল ব্যাতিত এবং প্রমান বিহীন ভাবে। অফিসে সরকারী পদধারী ব্যাক্তি ব্যাতিত আরো অনেক ভাসমান কর্মচারী থাকে (যেটা আইন বহির্ভূত)। সেই সকল ভাসমান কর্মচারীর মাধ্যমে ঘুষের দেন দরবার করা হয়। আবার দলিল লেখকগণের সাথে সরাসরি ঘুষের দেন দরবার হয় যেটা মৌখিক নয়। শুধু টাকার পরিমান ক্যাল্কুলেটরে চেপে দেখানো হয়। তাই ভয়েস রেকর্ড করা সম্ভব নয়। দলিলের জমির পরিমান অনুযায়ী ঘুষের রেইট নির্ধারিত হয়। আইডি কার্ডের সাথে নামজারীর নাম গরমিল, খাজনায় জমির শ্রেনী যেটা থাকবে সেটাই দলিলে উল্লেখ করতে হবে, খালি জমি দেখানো যাবে না (খালি থাকলেও না), খলি জমি দেখালে ট্যাক্স হিসাব করে তার তিন ভাগের এক ভাগ ঘুষ হিসাবে দিতে হবে, এগুলো দৈনিক হচ্ছে।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,০০,০০০
যে কাজের জন্য দলিল রেজিস্ট্রেশন
দপ্তর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা Dhaka
রিপোর্টের তারিখ ২২ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ৩৩ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
০ মন্তব্য

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নাম জারি

জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।

ঘুষ দিয়েছি
আফতাব নগর ভূমি অফিস ৳২.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬ ৪৭ DKJ2PUZJ
০ মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নকল উত্তলন

আমার জমি এর দলিল এর সংশোধন এর জন্য কোর্ট থেকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যথাযথ প্রসিডিউর (!) ফলো করে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো হয়। যিনি নকল বানাবেন উনি অতিরিক্ত চার্জ চান। আমি নেগোশিয়েশন করে একটু কম ধার্য করি। কাজ শুরুর আগে প্রায় অর্ধেক অ্যাডভান্স করার লাগে। কাজ শেষে বাকিটুকু দেই। না দিলে কাজ হত না এটা বলছি না। যেটা ২ সপ্তাহ লেগেছে সেটা হয়ত ৬ মাস বা তার বেশি লাগত।

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ ৳৪.৫ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬ ৫১ MY59KMD7
০ মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়

ঘুষ দিইনি
কুমারখালি, কুষ্টিয়া ৳১২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ ৫৫ KHM5JDYM
০ মন্তব্য