নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

বিদেশে পড়া লেখা করতে যাবো। তাই একটা পাসপোর্ট লাগবে। কিন্তু প্রথম বারের মতো পাসপোর্ট অফিসে ঢুকে আমি পুরাই অবাক। সকল কাগজ পত্র ঠিক থাকলেও তারা বলতেছে ঠিক নেই। পাসপোর্ট অফিস থেকে বের হতেই একজন এসে বললো আমাকে এতো টাকা দিন আমি সব করে দিচ্ছি। আমার যেহেতু আর্জেন্ট লাগবে তাই আর কিছু না ভেবে তাদের কাছে টাকা দিলাম, তারা মূলত ছিলো দালাল। তারা আবার আবেদন করলো এবং সেটা তাদের জিমেইল দিয়ে। এরপর ম্যাজিক এর মতো কেউ কিছু বললো না। কোনো বাধা আসলো না। তখন আমি বুঝতে পারলাম সেখানের আনসার সদস্য থেকে শুরু করে পুলিশ এবং বিভিন্ন কর্মকর্তা এর সাথে জড়িত। ঠিক একই ঘটনা আমার ফ্রেন্ডের সাথেও ঘটেছিলো। দালাল ছাড়া তারা কোনো আবেদনই গ্রহণ করে না। অর্থাৎ ঘুষ দিবেন তো আপনার সকল কাজ হয়ে যাবে।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,৫০০
যে কাজের জন্য নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা গোপালগঞ্জ
রিপোর্টের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য