নতুন পাসপোর্ট বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানার একজন বাসিন্দা। পাথরঘাটা থেকে বরগুনা শহরে আসতে যেতে প্রায় ১০০০/- টাকা খরচ হয়। আমার জাতীয় পরিচয় পত্রে পেশা দেওয়া ছিলো জেলে। বর্তমানে আমি একজন লাইসেন্সধারী ড্রাইভার। অতঃপর পাসপোর্টের আবেদন করার সময় আমি আমার বর্তমান পেশা দিয়ে আবেদন করি। আবেদন জমা দিতে গেলে অফিস কর্তৃপক্ষ আমাকে বলে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের পেশাতো জেলে দেওয়া, আপনি ড্রাইভার কেনো লিখেছেন? আমি বললাম ভাই আমি বর্তমানে একজন ড্রাইভার। তারা বললো হবে না, আপনি হয় জাতীয় পরিচয় পত্রের পেশা পরিবর্তন করে ড্রাইভার করে নিয়ে আসেন না হয় পাসপোর্টের আবেদনে জেলে লিখে নিয়ে আসেন। নাহলে পাসপোর্ট করতে পারবেন না। এই কথা শুনে আমিতো বিপাকে পরে যাই। তখন ১৫০০/- টাকার বিনিময়ে আমার পাসপোর্টের সেই আবেদনটাই গ্রহন করা হয়।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,৫০০
যে কাজের জন্য নতুন পাসপোর্ট
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ বরিশাল
থানা / উপজেলা বরগুনা
রিপোর্টের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য