পাসপোর্ট করতে চেয়েছিলাম বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমার জরুরি প্রয়োজনে পাসপোর্ট করার দরকার ছিল চিকিৎসার জন্য তখন আমি আমার নিজ জেলায় পাসপোর্ট অফিসে যাই গাইবান্ধাতে সেখানে যাওয়ার পর যে ব্যক্তি আমার পেপারসগুলো দেখতে চাই ঠিকঠাক আছে কিনা পরবর্তীতে সে অযৌক্তিকভাবে একটা ভুল বের করে সে বলে আপনাকে এগুলো ঠিকঠাক করে আনতে হবে এবং সেগুলো ঠিকঠাক করার জন্য অনেক কষ্টসাধ্য হত বিশেষ করে গাইবান্ধা থেকে আমাকে অন্য একটি জেলায় আবার যেতে হতো কলেজের প্রত্যায়ন আনার জন্য আমাকে নাকি প্রমাণ করতে হবে আমি ছাত্র কিনা? অন্যথায় আপনার একটা সুযোগ আছে ২৫০০ টাকা দিলে আজকেই করে যেতে পারবেন পরবর্তীতে ঝামেলা কমানোর জন্য তাকে ১৫০০ টাকায় রাজি করিয়ে কাজটি সমাধান করে আসি সে সরাসরি তার টেবিলে টাকা নেয়নি আমাকে অন্য রুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে টাকা নিয়েছিল।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,৫০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট করতে চেয়েছিলাম
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ রংপুর
থানা / উপজেলা গাইবান্ধা সদর অফিস
রিপোর্টের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য