৬ মাস ঘুরছি ৩০ হাজার সরকারি ফি নিছে ঘুষ দাবি করা হয়েছে

৬ মাস ঘুরানোর পরে ও বলি খুটি নাই আসলে দিবে পরে যে খুটির দায়িত্বে সে বলে ৫হাজার টাকা দিলে দিয়ে দিবে

জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়েছে: নাম মনে নাই তদন্ত হলে দিতে পারবো

রিপোর্টকারীর দাবি — Ghush.xyz এটি স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৫,০০০
যে কাজের জন্য কারেন্টের খুটি
অফিস সিলেট বিদ্যুৎ অফিস কদমতলি
দপ্তর বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি
বিভাগ সিলেট
থানা / উপজেলা সিলেট (অন্যান্য)
রিপোর্টের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
নিশ্চিতকরণ ১ জন
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি

প্রিপেইড মিটারে লোড বাড়ানোর নাম করে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে

গত ১৪/০৬/২০২৬ তারিখে জনৈক রুবেল নামে এক ব্যাক্তি বংশাল ডিপিডিসির কর্মচারি পরিচয় দিয়ে প্রিপেইড মিটারে লোড বাড়াতে হবে নতুবা নতুন আবেদন করে এটার সমাধান করতে হবে এভাবে বিভিন্ন মিথ্যা ভয় দেখিয়ে ১৫,০০০/=টাকা ঘুষ নিয়ে যায়। বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ দিয়েও কোনো সুরাহা পাওয়া যায় নাই।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা (অন্যান্য) ৳১৫.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬ ৫৪
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি

ট্রান্সফর্মার স্থাপন ও বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ জন্য সাড়ে ছয় লাখ টাকা দাবি

আমার বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার জন্য একটি ট্রান্সফর্মার স্থাপন জরুরি হয়ে পড়ে । এজন্য ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বিদ্যুৎ অফিসে উপ-সহকারী প্রকৌশলী জনাব রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাড়ে ছয় লাখ টাকা দাবি করেন । পরবর্তীতে বিষয়টি আমার পরিচিত একজন অবসরপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ কর্মকর্তাকে জানালে তিনি রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগ করেন । ঘুষের টাকা দুই লাখ টাকায় কাজটি করে দিতে রাজি হন। টাকা পরিশোধ করা হয় । তবে প্রতি মিটারে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা গ্রহণ করেন । দুই / তিন মাস অসংখ্য বার ঘুরতে হয় সেই অফিসে । সেখানে তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আবাসিক প্রকৌশলী হামজা ইমাম সরাসরি এসব হয়রানি মূলক কাজে জড়িত ছিলেন ।

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ (অন্যান্য) ৳২.২০ লাখ
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি

বৈধ বাণিজ্যিক মিটার হস্তান্তরে ১,৫০,০০০ টাকা ঘুস দাবি

নতুন কারখানা স্থাপনের জন্য বাণিজ্যিক মিটার হস্তান্তরের আবেদন করা হলে প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি চক্র মিলে দেড় লাখ টাকা নগদ দাবি করে। অন্যথায় ফাইল ঝুলিয়ে রাখার কথা বলা হয়।

শুধু দাবি করেছে
নারায়ণগঞ্জ সদর ৳১.৫০ লাখ
২২ আগস্ট ২০২৬
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি

আমি কিলোওয়াট কমানোর জন্য আবেদন দেই।রেজিস্ট্রার সিরিয়াল নম্বর ৪১৭।২/৩দিন পর খরব নিতে যাই সাইন হলো কিনা দেখি আমার পরের ৮/৯ টা সাইন হলো কিন্তু আমারটা হয়নি। লোকরা ২০০ টাকা ঘুষ চাইলো।

আসসালামু আলাইকুম স্যার আমি বিদ্যুৎ গ্রাহক আবু জাকের বলছি। এলাকা কৃষ্ণরামপুর নোয়াখালী। আমার মিটারে গত কয়েক মাস যাবৎ বিদ্যুৎ বিল বেশি আসছে তাই অভিযোগ করলে বলে আপনার কিলোওয়াট বেশি কমাতে হবে।পরে ৩৫০ টাকা অফিস ফি পরিশোধ করি ও আবেদন করি ৩কিলোওয়াট কে ২ কিলোওয়াট করার জন্য। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো রেজিস্ট্রারে ৪১৭ নম্বর সিরিয়াল আমার কিন্তু ২/৩ দিন পরে সাইন হয়েছে কিনা খবর নিতে গেলে দেখি আমারটা পড়ে আছে পরে ৮/৯টা সাইন ও অনুমোদন হয়েছে।যে লোকটি আমাকে দেখালো খাতা সে আমাকে বল্লো ২০০/৩০] টাকা চা নাস্তার খরচ দিলে সাইন করে রাখবে।কিন্তু কথা হলো আমি সব রেডি করে দিছি এখন তাকে কেন খরচ দিতে হবে?? আমার পরের গুলো আগে কেন সাইন হলো??

শুধু দাবি করেছে
চট্টগ্রাম (অন্যান্য) ৳২০০
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬