নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বনানী ডেসকো অফিস এ নেট মিটারিং এর আবেদন এর জন্য ৬০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল ২০২৫ সালে। সেখানকার সুপারডেইন্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার এই পরিমান অর্থ দাবি করে সরাসরি
৬ মাস ঘুরানোর পরে ও বলি খুটি নাই আসলে দিবে পরে যে খুটির দায়িত্বে সে বলে ৫হাজার টাকা দিলে দিয়ে দিবে
বাংলাদেশের সব জায়গায় গেছে আবেদন করলে ঘুষ দিতে হয় নতুন করে বলার কিছু নাই, আর এটা বলো যে বিচার পাবো তা এখনো গ্যারান্টি নাই, বিস্তারিত আর কি বিবরণ দেব, এসব ঘটনা সবারই জানা, নতুন করে বোঝানোর কিছু নাই
আসসালামু আলাইকুম স্যার আমি বিদ্যুৎ গ্রাহক আবু জাকের বলছি। এলাকা কৃষ্ণরামপুর নোয়াখালী। আমার মিটারে গত কয়েক মাস যাবৎ বিদ্যুৎ বিল বেশি আসছে তাই অভিযোগ করলে বলে আপনার কিলোওয়াট বেশি কমাতে হবে।পরে ৩৫০ টাকা অফিস ফি পরিশোধ করি ও আবেদন করি ৩কিলোওয়াট কে ২ কিলোওয়াট করার জন্য। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো রেজিস্ট্রারে ৪১৭ নম্বর সিরিয়াল আমার কিন্তু ২/৩ দিন পরে সাইন হয়েছে কিনা খবর নিতে গেলে দেখি আমারটা পড়ে আছে পরে ৮/৯টা সাইন ও অনুমোদন হয়েছে।যে লোকটি আমাকে দেখালো খাতা সে আমাকে বল্লো ২০০/৩০] টাকা চা নাস্তার খরচ দিলে সাইন করে রাখবে।কিন্তু কথা হলো আমি সব রেডি করে দিছি এখন তাকে কেন খরচ দিতে হবে?? আমার পরের গুলো আগে কেন সাইন হলো??
আমার বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার জন্য একটি ট্রান্সফর্মার স্থাপন জরুরি হয়ে পড়ে । এজন্য ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বিদ্যুৎ অফিসে উপ-সহকারী প্রকৌশলী জনাব রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাড়ে ছয় লাখ টাকা দাবি করেন । পরবর্তীতে বিষয়টি আমার পরিচিত একজন অবসরপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ কর্মকর্তাকে জানালে তিনি রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগ করেন । ঘুষের টাকা দুই লাখ টাকায় কাজটি করে দিতে রাজি হন। টাকা পরিশোধ করা হয় । তবে প্রতি মিটারে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা গ্রহণ করেন । দুই / তিন মাস অসংখ্য বার ঘুরতে হয় সেই অফিসে । সেখানে তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আবাসিক প্রকৌশলী হামজা ইমাম সরাসরি এসব হয়রানি মূলক কাজে জড়িত ছিলেন ।
ডেসকোর পল্লবী অফিসের মধ্যমে মাল্টিস্টোরেড ভবনে একটি নতুন ফ্ল্যাটের জন্য নতুন মিটারের অনুমোদন দিতে দালাল আশিকের মাধ্যমে ২০০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়।যেটা ছিলো আগস্ট ২০২৬ শেষ দশকের ঘটনা।পরে একজর সরকারি কর্মকর্তার রেফারেন্স দিয়ে বিনা ঘুষে কাজ হয়।
মিটারের সমস্যা যার ফলে প্রতি মাসে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসতে ছিল অস্বাভাবিকভাবে কিন্তু অফিসে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে তারা মিটার প্রবল্বম আছে বলে দেখবে অতঃপর আমার বাসায় এগিয়ে দেখার পর অফিসে ডেকে ১৫ হাজার টাকা দাবি করে
গত ১৪/০৬/২০২৬ তারিখে জনৈক রুবেল নামে এক ব্যাক্তি বংশাল ডিপিডিসির কর্মচারি পরিচয় দিয়ে প্রিপেইড মিটারে লোড বাড়াতে হবে নতুবা নতুন আবেদন করে এটার সমাধান করতে হবে এভাবে বিভিন্ন মিথ্যা ভয় দেখিয়ে ১৫,০০০/=টাকা ঘুষ নিয়ে যায়। বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ দিয়েও কোনো সুরাহা পাওয়া যায় নাই।
নতুন কারখানা স্থাপনের জন্য বাণিজ্যিক মিটার হস্তান্তরের আবেদন করা হলে প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি চক্র মিলে দেড় লাখ টাকা নগদ দাবি করে। অন্যথায় ফাইল ঝুলিয়ে রাখার কথা বলা হয়।