ডেসকোর পল্লবী অফিসের মধ্যমে মাল্টিস্টোরেড ভবনে একটি নতুন ফ্ল্যাটের জন্য নতুন মিটারের অনুমোদন দিতে দালাল আশিকের মাধ্যমে ২০০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়।যেটা ছিলো আগস্ট ২০২৬ শেষ দশকের ঘটনা।পরে একজর সরকারি কর্মকর্তার রেফারেন্স দিয়ে বিনা ঘুষে কাজ হয়।
রিপোর্টকারীর দাবি — Ghush.xyz এটি স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি।
গত ১৪/০৬/২০২৬ তারিখে জনৈক রুবেল নামে এক ব্যাক্তি বংশাল ডিপিডিসির কর্মচারি পরিচয় দিয়ে প্রিপেইড মিটারে লোড বাড়াতে হবে নতুবা নতুন আবেদন করে এটার সমাধান করতে হবে এভাবে বিভিন্ন মিথ্যা ভয় দেখিয়ে ১৫,০০০/=টাকা ঘুষ নিয়ে যায়। বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ দিয়েও কোনো সুরাহা পাওয়া যায় নাই।
আমার বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার জন্য একটি ট্রান্সফর্মার স্থাপন জরুরি হয়ে পড়ে । এজন্য ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বিদ্যুৎ অফিসে উপ-সহকারী প্রকৌশলী জনাব রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাড়ে ছয় লাখ টাকা দাবি করেন । পরবর্তীতে বিষয়টি আমার পরিচিত একজন অবসরপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ কর্মকর্তাকে জানালে তিনি রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগ করেন । ঘুষের টাকা দুই লাখ টাকায় কাজটি করে দিতে রাজি হন। টাকা পরিশোধ করা হয় । তবে প্রতি মিটারে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা গ্রহণ করেন । দুই / তিন মাস অসংখ্য বার ঘুরতে হয় সেই অফিসে । সেখানে তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আবাসিক প্রকৌশলী হামজা ইমাম সরাসরি এসব হয়রানি মূলক কাজে জড়িত ছিলেন ।
নতুন কারখানা স্থাপনের জন্য বাণিজ্যিক মিটার হস্তান্তরের আবেদন করা হলে প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি চক্র মিলে দেড় লাখ টাকা নগদ দাবি করে। অন্যথায় ফাইল ঝুলিয়ে রাখার কথা বলা হয়।
৬ মাস ঘুরানোর পরে ও বলি খুটি নাই আসলে দিবে পরে যে খুটির দায়িত্বে সে বলে ৫হাজার টাকা দিলে দিয়ে দিবে
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।