মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক অফিস(এজি অফিস)সেগুনবাগিচা ঢাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ধীন পুলিশ সদস্যদের ডিএমপি টু বহি রেঞ্জ /বহি মেট্রো বদলী হয়,তেমনিভাবে ঐখান থেকে আবার ডিএমপিতে পোস্টিং হয় অনেকের।এসবি,সিআইডি বলতে গেলে পুলিশের যত বদলী হয় তখন এলপিসি সঠিক সময়ে পাঠানো হয় না,তারা আটকে রাখে।বেতন ৩-৪ মাস চলে যায় বেতন বন্ধ থাকে।কারণ এলপিসি কাজ করে না এজি অফিসে।এটা শুধু সেগুনবাগিচা না প্রত্যেকটা জেলায়ও এমন হয়।পুলিশের বদলী হলে তারা এলপিসি এক জায়গা থেকে বদলীর জায়গায় পাঠায় না,যতক্ষণ পর্যন্ত এজি অফিসকে ঘুষ না দেওয়া হয়।ঘুষ না দিলে বেতনও বন্ধ। এলপিসি কাজ শেষ না হলে বেতন হবে না।এই কারণে প্রত্যেক পুলিশ সদস্য ওদেরকে ১০০০-১৫০০০ ঘুষ দিয়ে এলপিসি কাজ করায়।আবার জিপিএফ হিসাব আনতে কিংবা পেইজ ভলিয়ম নাম্বার বসাতে গেলেও ঘুষ দিতে হয়।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।