একজন শিক্ষক সারাজীবন কস্ট করে তার ফ্যামিলি চালায়। নিজের শেষ বয়সে চাকুরি শেষ হবার পর পেনশন চালু করতে প্রতিটি শিক্ষকের পোহাতে হয় এই বিড়ম্বনা। সরকার ঘোষিত দ্রুত সেবা বাস্তবায়নের কথা থাকলেও। নেই কোন মনিটরিং ব্যবস্থা। যে বা যিনি এই হিসাব টা করবেন কতজন ব্যাক্তি অবসরে যাচ্ছেন। তারা কখন থেকে পেনশন ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। অর্থাৎ চাকুরি শেষ করে তখন আপনি দারে দারে ঘুরে বেড়াবেন তাও টাকা না দিলে মিলবে না সেবা মাসের পর মাস চলে গেলেও আপনাকে ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়াবে।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।