মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ/পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট সংগ্রহ বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ/পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট সংগ্রহ। ঢাকা সরাসরি দাবি করা হয়নি। তবে দীর্ঘদিন কাগজ ফেলে রাখা হয়েছিল। নানা অজুহাতে রিপোর্ট দিয়ে দিতে লেট করেছিল। পরে বাধ্য হয়ে আমাকে টাকা দিতে হয়েছে। এই ঘটনার ডাক্তাররা জড়িত নয়। অফিসের কর্মচারীরা যারা মেডিকেল সার্টিফিকেটের কাগজ প্রসেসিং করে তারা জড়িত।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,০০০
যে কাজের জন্য মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ/পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট সংগ্রহ
দপ্তর সরকারি হাসপাতাল
বিভাগ রংপুর
থানা / উপজেলা রংপুর
রিপোর্টের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সরকারি হাসপাতাল

রোগি ভর্তিকরণ

রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳৫০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ছাড়পত্র

কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা মেডিকেলে ৳১০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য