ভিকটিমের মামলার মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি বাংলাদেশ পুলিশের একজন কর্মকর্তা। মামলা তদন্তকালে আহত হয়ে ভিকটিমরা ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেটে চিকিৎসা গ্রহন করে থানায় মামলা করলে উক্ত চিকিৎসা সনদপত্র সংগ্রহ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেটে আবেদন করলে নরমালি রেডি করে সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠিয়ে দেয়ার কথা কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত এমসি(মেডিকেল সার্টিফিকেট) প্রদানকারী শাখার সাথে যোগাযোগ করা না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত তারা ঐ ফাইলটি হাতেই নেন না। যোগাযোগ না করলে উক্ত আবেদনটি ৬ মাস, ১ বছর বা ১.৫ বছর পর্যন্ত পড়ে থাকে। নরমারি যোগাযোগ করলে বলে আপনার আগের অসখ্য ফাইল পড়ে আছে দিতে পারছি না কিন্তু টাকা প্রদান করে কথা বললে দ্রুত করিয়ে দেয়ার আশ্বাস দেয়। অনেক সময় টাকা ম্যানেজ করে দেই আবার অনেক সময় নিজের পকেট থেকেই দেই।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৫,০০০
যে কাজের জন্য ভিকটিমের মামলার মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে
দপ্তর সরকারি হাসপাতাল
বিভাগ সিলেট
থানা / উপজেলা সিলেট
রিপোর্টের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সরকারি হাসপাতাল

রোগি ভর্তিকরণ

রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳৫০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ছাড়পত্র

কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা মেডিকেলে ৳১০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য