আমি ২০২৩ সালে চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে যাই।আমি থাকতাম নারায়ণগঞ্জ। নারায়নগঞ্জে একটি কম্পিউটার দোকান থেকে ফর্ম ফিলাপ করি।পর দিন চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসে যাই এবং জমা দেই।যে জমা নিয়েছেন তিনি বলেন এখানে ওয়ার্ড নাম্বার লিখা নেই। তখন টাইম ও তেমন ছিলো না।উনি বললেন ১টার পর কাগজ জমা নিবে না।বললেন কম্পিউটার দোকান থেকে ঠিক করে আনতে।কম্পিউটার দোকানে গেলাম তখন দোকানদার বললো টাইম বেশি নাই। দোকানদার বললো আমাকে ১৫০০ টাকা দিলে আমি জমা দেওয়ার ব্যবস্তা করে দিবো।সে সরাসরি বললো আমি ৫০০ নিবো অফিসারকে দিব১০০০ টাকা। আমিও চিন্তা করলাম আমি আবার নারায়ণগঞ্জ যাবো আবার পরের দিন চাঁদপুরে আসবো আমার ২ হাজার খরচ হবে।তখন আমি ব্যবসা করতাম,চিন্তা করলাম একদিন দোকান বন্ধ থাকবে।তখন ১৫০০ টাকা দিয়ে দেই।পরে সেইমকাগজ জমা নিলো
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।