KHZ2E5TJ

নতুন পাসপোর্ট তৈরির জন্য আবেদন জমা নেওার জন্য দালাল দ্বারা ঘুশ গ্রহন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

— Passport office er samnei bosen, cotto ekta computer এর দোকান নিয়ে। তার নম্বর হলো ০১৭৪*****০৫, প্রথমে আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করে আবেদনের কপি জমা দিতে যায়, সেখানে আমি পর পর ২-৩ দিন ফিরিয়ে দেওয়া হই পর্যাপ্ত কাগজ থাকা সত্তেও যে পিতামাতার ভোটার আইডিকার্ডের অরিজিনাল কপি লাগবে। আমি ল্যামিনেট করে একটি কপি নিয়ে যাওয়ার পর আমাকে বলা হয় এখন তৈরি করে নিয়ে গেলে হবে না, পূর্বের পরে থাকা আসল কপিটি লাগবে, এটা একটা আজব চাওয়া। আর বুঝতে বাকি রইলো না যে আমাকে সিস্টেম এর মধ্যে দিয়েই যেতে হবে, যেহেতু জরুরী প্রয়োজন ছিলো তাই বাধ্য হয়ে দালাল দিয়ে কাজটা করিয়েছি, মজার বিষয় হলো দালাল এর সাথে যোগাযোগ করার সঙ্গে সঙ্গে সুধু মাত্র আমার আবেদনের কপি এবং ভোটার আইডি কার্ড এর কপি টি লাগলো, প্রমাণস্বরূপ অডিও আছে

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,৭০০
যে কাজের জন্য নতুন পাসপোর্ট তৈরির জন্য আবেদন জমা নেওার জন্য দালাল দ্বারা ঘুশ গ্রহন
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ খুলনা
থানা / উপজেলা কুষ্টিয়া
রিপোর্টের তারিখ ২২ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ২৫ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
০ মন্তব্য

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১০ BRA9CLA5
০ মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭৯ RJ6GQSK6
০ মন্তব্য