দলিল লেখকের প্ররোচনায় জমির শ্রেনি বদল করে মৌজা দরে রেজিঃ করে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

স্থানীয় দালাল ও দলিল লেখকের প্ররোচনায় জমির শ্রেনি বদল করে মৌজা দরে রেজিঃ করার জন্য চুক্তি করে ৩৫০০০ টাকা গ্রহন করে। জমির আসল দাম ১২৭০০০০ টাকা। মৌজা দরে ছিলো ২০০০০০ টাকা। দালাল দালালি বাবদ নগদ ৭০০০০ নিলো । জমি দলিলে দাম ২০০০০০ দেখাইয়া আমার টাকা ঝূঁকিপূর্ণ করে দিলো । পরে প্রিয়েমশন বা অগ্রক্রয় মামলা করে একতরফা রায় নিয়ে জরুরি ভাবে নামজারি করে ২৫০০০০০ টাকা মূল্য হিসাবে বিক্রি দলিল করে । দালাল, দলিল লেখক, সাব রেজিস্ট্রার এর লোকজন, উকিল, জরুরি ভিত্তিতে নামজারি করতে ডিসি অফিসের অনুমোদনে ডিসি অফিসের লোকজন ও ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারী, পেশকারের মাধ্যমে জজ, পেশকার , সমন জারি গোপন করতে নাজির, মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার জন্য তিনজন স্বাক্ষী, যোগসাজশী জবাব দিতে আরো লোক সকলে দশ লাখ খায় ।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৩৫,০০০
যে কাজের জন্য দলিল লেখকের প্ররোচনায় জমির শ্রেনি বদল করে মৌজা দরে রেজিঃ করে
দপ্তর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা টঙ্গী
রিপোর্টের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নাম জারি

জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।

ঘুষ দিয়েছি
আফতাব নগর ভূমি অফিস ৳২.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নকল উত্তলন

আমার জমি এর দলিল এর সংশোধন এর জন্য কোর্ট থেকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যথাযথ প্রসিডিউর (!) ফলো করে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো হয়। যিনি নকল বানাবেন উনি অতিরিক্ত চার্জ চান। আমি নেগোশিয়েশন করে একটু কম ধার্য করি। কাজ শুরুর আগে প্রায় অর্ধেক অ্যাডভান্স করার লাগে। কাজ শেষে বাকিটুকু দেই। না দিলে কাজ হত না এটা বলছি না। যেটা ২ সপ্তাহ লেগেছে সেটা হয়ত ৬ মাস বা তার বেশি লাগত।

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ ৳৪.৫ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়

ঘুষ দিইনি
কুমারখালি, কুষ্টিয়া ৳১২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য