সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
DK4Q596Q
এটি আমার জীবনের ঘুষ দেওয়ার প্রথম অভিজ্ঞতা। নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার কেন্দুয়া ভূমি অফিস এ আমি যাই আমার একই নামজারীর আবেদন নিয়ে। জীবনে তখন কোনোদিন কোনো ঘুষ দিয়ে কাজ করায়নি। অফিসের অফিসের লোকজন আমার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ চায়। ফলে আমি খুবই রাগ করি এবং সরাসরি নায়েব সাহেবের কাছে বিচার দেই। ঘটনাটি ২০২১ সালের। নায়েব সাহেব বলেন উনি ১৫ হাজার টাকা চাইছে আমাকেই তো দিবে ১০ হাজার। পরে আমি বুঝলাম চোরের কাছে চোরের বিচার দিচ্ছি। তাই বাধ্য হয়ে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে রফাদফা করে আমার নামজারির কাজ সম্পূর্ণ করলাম। এরপর থেকে আমি আর সেই অফিসে যায়নি এখন অনলাইনে খাজনা প্রদান করি
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।