উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের ঘুস দাবি ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয়েছে

‎কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হসপিটালে আমি কিছু বছর আগে বদলী হয়ে এসেছি। ‎কিন্তু এই হসপিটালের নার্সিং সুপারভাইজার আনেক নার্সিং অফিসারের সাথে অমানবিক আচরণ করেন। তিনি ট্রেনিং থেকে শুরু করে সব কিছু অথের বিনিময়ে দিয়ে থাকেন। প্রতিটি ট্রেনিং এর পর প্রাপ্ত অর্থ থেকে(১০০০-৫০০০) কমিশন নেন। যারা দেন শুধু তারাই বার বার ট্রেনিং পান বাকি দের ওনি দেন না। এছাড়াও হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্ব বন্টন করার ক্ষেত্রেও অর্থের লেনদেন করেন। যেমন ওয়ার্ড ইনচার্জ নির্বাচনে ওনি যোগ্য লোক মূল্যয়ন না করে অর্থ ও সুবিধা কে মূল্যয়ন করেন। উদাহরণ স্বরূপ হাসপাতালে ২০১৩-২০২০ এর পোস্টিং অনেক সিনিয়র নার্সিং অফিসার থাকালেও ওনেক ২০২২-২০২৫ পোস্টিং এর অফিসারকে ইনচার্জ নির্বাচন করে ওয়ার্ড পরিচালনা করছেন।অভিযোগ দিলে ওনি হুমকি দেন

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৫,০০০
যে কাজের জন্য উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের ঘুস দাবি
দপ্তর সরকারি হাসপাতাল
বিভাগ খুলনা
থানা / উপজেলা কুষ্টিয়া
রিপোর্টের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সরকারি হাসপাতাল

রোগি ভর্তিকরণ

রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳৫০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ছাড়পত্র

কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা মেডিকেলে ৳১০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য