সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
৫০০ টাকা দিয়ে নামজারি আবেদন করে নায়েব এর কাছে নিয়ে যাই, নায়েব ১৫০০টাকা নিয়ে রিপোর্ট দেন, না দিলে কেস খারিজ করে দেন,, এরপর সার্বিয়ার এর কাছে নিয়ে গেলে ৫০০ টাকা নিয়ে রিপোর্ট দেন, এবং বড় বাবুর কাছে নিয়ে যেতে বলে, তার কাছে গেলে তিনি দেখেশুনে এসিডেন্ট সাহেবের টাকা সহ ২ হাজার টাকা নেন, তারপরে এসিল্যান্ড অনুমোদন করেন, উপরের কাউকে যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে নথি খারিজ বলে রিপোর্ট দেয় বিভিন্ন সমস্যার কথা বলে টাকা দিলে আর সমস্যা থাকে না, অনুমোদন হলে বারোশো টাকা দিয়ে ডিসিআর কাটতে হয়, বাদবাকি টাকা দালালটা খেয়ে নেয়, মোট সাত থেকে আট হাজার টাকা লাগে। যদি নথি কিলিয়ার থাকে, আর যদি কোন ভুল ভেরান্তি থাকে,তাহলে আর হয়রানীর শেষ নেই, টাকাও নেয়ার শেষ নেই। যতদূর পারে ঘোষ বাণিজ্য চালিয়ে যায়।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।