আম মোক্তার রেজিস্ট্রি ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয়েছে

আমি একটা ডেভেলপমেন্ট চাকরি করি আমাদের একটা প্লটের আম মোক্তার রেজিস্ট্রি করার জন্য কমিশন করায়,আমাদের জমির মালিক বোবা কথা বলতে পারেনা শুনতেও পারেনা কিন্তু ইশারায় সব কিছু করতে পারে, আর উনার প্লট টা রাজউক এর ক্ষতিগ্রস্ত প্লট উনার নামে লিজ দলিল করা নাম জারী জরা খাজনা দেওয়া, কমিশন বাসায় যাওয়ার পর সাব রেজিস্ট্রার কে কল দিয়ে বলে বোবা তখন সাব রেজিস্ট্রার তাকে চলে আসতে বলে কাজ না করে আর আমাকে বলা হয়েছে সকালে যেতে যাওয়ার পর সেই রাগারাগি করলো আমার সাথে পড়ে যে কমিশন করতে গিয়েছে সে জানায় কাজটা করা যাবে ৫ লাখ দিতে হবে স্যারকে, হতাশ হয়ে ফিরে আসি, পরবর্তীতে লিখিত আবেদন করি জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর এখনও কোন খবর আসেনি,করনীয় কি?

এই রিপোর্টটি ghush.site থেকে সংগৃহীত। লেখা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৫,০০,০০০
যে কাজের জন্য আম মোক্তার রেজিস্ট্রি
দপ্তর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা উত্তরা
রিপোর্টের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নাম জারি

জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।

ঘুষ দিয়েছি ghush.site
আফতাব নগর ভূমি অফিস ৳২.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নকল উত্তলন

আমার জমি এর দলিল এর সংশোধন এর জন্য কোর্ট থেকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যথাযথ প্রসিডিউর (!) ফলো করে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো হয়। যিনি নকল বানাবেন উনি অতিরিক্ত চার্জ চান। আমি নেগোশিয়েশন করে একটু কম ধার্য করি। কাজ শুরুর আগে প্রায় অর্ধেক অ্যাডভান্স করার লাগে। কাজ শেষে বাকিটুকু দেই। না দিলে কাজ হত না এটা বলছি না। যেটা ২ সপ্তাহ লেগেছে সেটা হয়ত ৬ মাস বা তার বেশি লাগত।

ঘুষ দিয়েছি ghush.site
ময়মনসিংহ ৳৪.৫ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়

ঘুষ দিইনি ghush.site
কুমারখালি, কুষ্টিয়া ৳১২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য