আমি ২০১৯ সালে জিপি ফান্ড ওপেন করতে যায় হিসাবরক্ষণ অফিসে।তখন আমার নামে ভুল ছিল। ঐ নামটা ঠিক করার জন্য আমি ওনাকে ১০০০ টাকা দেই। ওনারা টাকা ছাড়া কথা বলে না।টাকা নিয়ে আমার কাজটা করে দেই নি।ঘুষ তো নিয়েছে কাজটাও করে দেই নি।এই যদি হয় বাংলাদেশের অবস্থা তাহলে সাধারণ মানুষ কিভাবে বসবাস করবে?
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।