সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
আমার অভিযোগটা পুরাপুরি ঘুষ না। তবে ঘুষের থেকেও বেশি। একজন সাধারন নাগরিক হিসাবে অভিযোগ করছি। অনলাইনে খাজনা রশিদ যদি না থাকে সে ক্ষেত্রে একজন সেবা গ্রহিতা ভুমি অফিসে খাজনা দিতে গেলে তাকে ১৯৭৫-৭৬ সাল থেকে খাজনা হিসাব ধরে দিতে হয়। যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কিন্তু সরকারি নিতীমালা অনুযায়ী ২৫ বিঘার কম হলে খাজনা মওকুফ। সাধারনত ১ বিঘা জমির খাজনা বছরে মাত্র ১০ টাকা। সেখানে ১৯৭৫-৭৬ সাল থেকে হিসাব করলে অনেক হয়ে যায়। অথাৎ পূর্বের অর্থবছরের খাজনা দিলেই খাজনা রশিদ পাওয়া যায়। কিন্তু ভুমি অফিসে ১৯৭৫-৭৬ সাল ধরে খাজনা ধরেন ৫০০০টাকা কিন্তু উনি বলে আমাকে ৩০০০ টকা দিলে আমি খাজনা রশিদ দেব। উনি ২/৪/৫ অর্থ বছর অনলাইনে বসিয়ে খাজনা দেন ধরেন ৫০০ টাকা বাকি ২৫০০ টাকা উনি মেরে দেন। যা সাধারন জনগন বুঝতেই পারে না।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।