পাওয়ার অব এটর্নি ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয়েছে

আমি আমার আত্নিয়ের পাওয়ার অব এটর্নি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্টার করতে চাচ্চিলাম। সে জন্য একজন মোহরীর সাথে কথা বলেছিলাম। ত পাওয়ার অব এটর্নিতে সম্পদের কথা এবং পরিমান সব একত্রে উল্লেখ আছে কিন্তু মোহরি বলল যে উক্ত পাওয়ার অব এটর্নিতে নাকি সম্পদের কথা আলাদা করে উল্যেখ করতে হবে। তারপর যেহেতু ভুল হয়েছে সেহেতু আমি চলে যাচ্ছিলাম। তখন হটাত করে সে আমাকে আড়ালে নিয়ে বলল যে এটা রেজিস্টারি হবে যদি কিছু সালামী দেই। ত আমি বললাম কত।।তখন সে ভিতরে গিয়ে সাবরেজিস্ট্রার এর কাছে থেকে জেনে এসে আমাকে বলে ৬০,০০০. আমি বললাম ৬০,০০০ টাকা তুমাকে পুটকি দিয়ে ঢুকিয়ে দিব, বলে চলে আসি । পরে আমার আত্নীয় লন্ডন থেকে দেশে আসেন ও সামনা সামনি থেকে জমির বণ্ঠন নিষ্পত্তি করে । আসলে আমলাদের জন্য শত শত কোটি টাকা সরকার পাচ্ছে না।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৬০,০০০
যে কাজের জন্য পাওয়ার অব এটর্নি
দপ্তর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
বিভাগ সিলেট
থানা / উপজেলা সিলেট
রিপোর্টের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নাম জারি

জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।

ঘুষ দিয়েছি
আফতাব নগর ভূমি অফিস ৳২.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নকল উত্তলন

আমার জমি এর দলিল এর সংশোধন এর জন্য কোর্ট থেকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যথাযথ প্রসিডিউর (!) ফলো করে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো হয়। যিনি নকল বানাবেন উনি অতিরিক্ত চার্জ চান। আমি নেগোশিয়েশন করে একটু কম ধার্য করি। কাজ শুরুর আগে প্রায় অর্ধেক অ্যাডভান্স করার লাগে। কাজ শেষে বাকিটুকু দেই। না দিলে কাজ হত না এটা বলছি না। যেটা ২ সপ্তাহ লেগেছে সেটা হয়ত ৬ মাস বা তার বেশি লাগত।

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ ৳৪.৫ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়

ঘুষ দিইনি
কুমারখালি, কুষ্টিয়া ৳১২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য