পাসপোর্ট এর অনলাইনে আবেদন করাকালীন নাম দুইবার চাপ পড়ে যায় এবং তা পরিবর্তন এর প্রক্রিয়া বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

২০২২ এর প্রথম দিকে আমার বিদেশে যাওয়ার কথা শুরু হয় এবং এরই মারফতে একটি ভিসা সমগ্র করে আমার পরিবার। যেহেতু পরিচিত লোক ছিলো তাই ভিসা ভালো হবে ভেবে তাড়াহুড়ো করেই আমাকে পাসপোর্ট করতে বলে।আমি কয়েকদিন ভেবেচিন্তে নিজের কম্পিউটার থেকে এপ্লে করার ট্রাই করি কিন্তু তাদের সার্ভার বার বার সমস্যা দিচ্ছিলো পরে ফেসবুকে পাসপোর্ট এর একটা গ্রুপ আছে সেখানে দেখি ২ঘন্টার জন্য সার্ভার সচল হয়েছে আর এটা দেখে আমি তাড়াতাড়ি করে আবেদনটি করতে থাকি আর এই তাড়াহুড়োতে আমার বংশিও নাম টি ২বার টাইপ হয়ে যায়। পরে আমি পাসপোর্ট অফিসে যাই তারা পাত্তাই দিলো না এমন ৫/৭ দিন গেলাম কোনো পাত্তাই দিলো না পরে একটা আনসার (দালাল) আমাকে বলে উপরে স্যার আছে কিছু টাকা দিলে হয়ে যাবে, আমার ভিসার মেয়াদ কম তাই টাকা দিলাম তিনি সাইন দিলেন হয়ে গেলো।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৫,০০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট এর অনলাইনে আবেদন করাকালীন নাম দুইবার চাপ পড়ে যায় এবং তা পরিবর্তন এর প্রক্রিয়া
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা লক্ষীপুর
রিপোর্টের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য