সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লক্ষ টাকা বিআরটিএ হতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। আমার বাবার সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুর পর আমরা আবেদন করি ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে। ১ বছর পর বিআরটিএ-র একজন কর্মচারী আমাদের ফোন করে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। অন্যথায়, আমাদের সে ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তি হতে বঞ্চিত করার হুমকি প্রদান করে। আমরা তাকে ৫০,০০০ টাকা অফার করলে সে রাজি হয় এবং আমাদের কয়েকদিন পর সরাসরি ঢাকার বিআরটিএর হেড অফিসে ডেকে নিয়ে যায় এবং একজন সহকারি পরিচালকের উপস্থিতিতে আমাদের ৫ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেন। আমরা পরবর্তীতে জানতে পারি সে অবসরপ্রাপ্ত একজন প্রাক্তন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী ছিলেন তবে অবসরের পরও এখনো বিআরটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাথে যোগসাজস করে তিনি নিয়মিত অর্থ আত্মসাৎ করেন।
Made me fail every time until i went the unofficial route
selling drivers license for 12000 package. pay the money to the broker and they will pass you without having you sit for the exam. Pretty common scenario for Uttara BRTA.
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।
বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।