অহেতুক হেলমেট এর জন্য হয়রানি বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমার পিলন পারসন জ্যাম বসে থেকে হেলমেট খুলে গরম এর জন্য তারপর যখন জ্যাম ছেড়ে দেয় সে আবার হেলমেট পরে তাই পুলিশ এটা দেখে আমার গাড়ি আটকায় এর পর কাগজ চেক করে বলে হেলমেট এর জন্য মামলা দিবো আপনাকে কারণ আপনার লোক পুলিশ দেখে হেলমেট পড়েছে। আমি রিকোয়েস্ট করলাম ভাই একটা সাধারণ বিষয় নিয়ে এভাবে মামলা দেয়ার কিছু নাই হেলমেট না থাকলে আপনে মামলা দিলে আমি মেনে নিতাম এভাবে কোনো যুক্তিক কারণ দেখি না আমি । আমার এ কথা শুনে তিনি তার কনস্টেবল কে বলে ওনার সাথে কথা বলেন । এর পর কনস্টেবল আমাকে বলে ভাই কি দরকার মামলা নিয়া পুঁটকি মারা খাওয়ার ওই সাইটে চাচির চা এর দোকান যান আমি আশতাসি রেকার বিল করলেই হইবো। আমি বললাম কত টাকা বলে ১২০০ টাকা । বললাম ভাই এত টাকা নেই আপনি মামলা রেকার এগুলাতে কেন যাইতেসে।......

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,০০০
যে কাজের জন্য অহেতুক হেলমেট এর জন্য হয়রানি
দপ্তর ট্রাফিক পুলিশ
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা ঢাকা
রিপোর্টের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

ট্রাফিক পুলিশ

হয়রানী

আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে জব করি কাজের চাপ থাকায় অফিস থেকে বের হতে অনেক রাত হয় । পথিমধ্যে কিছু পুলিশ আমাকে দার করায় এবং জানতে চায় কোথা থেকে এসেছি ? আমি অফিসের আইডি কার্ড দেখানোর পরেও আমাকে তারা চেক করে কিন্তু কিছু না পেয়ে আমার কাছে 2000 টাকা দাবি করে না দিলে মাদক কেস দিবে ইত্যাদি বলে এখন নিজের সম্মান বাচাতে তাকে টাকা দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
গাজীপুর ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ট্রাফিক পুলিশ

রাস্তায় আটকিয়ে ৫০০ টাকা নিয়েছে

আমি হাতিরঝিল দিয়ে আসতেছিলাম। অল্প একটু জায়গা ম্যাবি ১০ ফিট হবে ভুল চলে গিয়েছি। রাস্তা ফাঁকা থাকায় আমি গাড়ি ঘুরিয়ে ঠিক রাস্তায় চলে আসি। এটা দেখে ট্রাফিক পুলিশ —। দেখে তার সাগরেদ দিয়ে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়। আমার পেপার্স আটকে রেখে। লোকেশনঃ হাতিরঝিল দিয়ে পুলিশ প্লাজা যাওয়ার আগের ৩ রাস্তার মোড়ে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৫০০
২১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ট্রাফিক পুলিশ

থানায় সাধারণ ডায়েরি করন প্রসঙ্গে

আমি ছয় শতক জমি ক্রয়ের উদ্দেশ্যে বায়না দলিলের মাধ্যমে ৮ লাখ টাকা প্রদান করি কিন্তু বায়না দলিলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও বিভিন্ন তালবাহানা করে দুই বছর সময় অতিক্রান্ত করে। অবশেষে আমাকে জমি দেবে না বলে ঘোষণা দেয়। তখন আমি টাকা উদ্ধারের জন্য আইনের আশ্রয় নেওয়ার জন্য থানার একটি জিডি কফির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। থানায় জিডি করতে গেলে বলে এ সংক্রান্ত জিটি থানায় নেওয়া হয় না। পরবর্তীতে দালাল চক্রের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে থানায় জিডি করতে সক্ষম হই।

ঘুষ দিয়েছি
হারাগাছ ৳১০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য