passport রিনিউ বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি আর্জেন্ট পাসপোর্ট রিনিউ করতে দি ২ মাশ হয় যায় তাও আসেনা । শ পরিশালক পরিচালক সবার সাথে কথা বলেও কোনো হয়না ।একদি ওইখানে এক আনসারের সাথে গোপনে কথা বলি, উনি বলে ৩ দিনের ভেতর পাসপোর্ট এনে দেবো। আমি বিশ্বাস করতে পারসিলাম না ।৩০০০ টাকা দেবেন উপায় না পেয়ে বিশ্বাস করতে বাধ্য হলাম ৩ দিন পর সকালে আসতে বলল ২ দিন পর রাতে ফোন দিয়ে বলে সকালে এসে পাসপোর্ট নিয়ে যান ।পাসপোর্ট নিয়ে জানতে চাইলাম কেমনে কি করে পারলেন ?উনি বলল কাউকে বলবেননা ওকে। বলল এইভাবে সবার কস্থেকে টাকা নেওয়া হয় পুরো সপ্তাহ যা টাকা হয় তার অর্ধেক পরিসালক রাখে বাকি টাকা আমাদের মাঝে ভাগাভাগি করে দেওয়া হয়।তখন বুঝলাম সবাই খাই কারকাসে বিসার দেবো । আমি জানি কোনো পরিবর্ত হবেনা জাস্ট আবেগটা বললাম

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৩,০০০
যে কাজের জন্য passport রিনিউ
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ খুলনা
থানা / উপজেলা খুলনা
রিপোর্টের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য