নতুন পাসপোর্ট বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমার গ্রামের বাড়ি বরিশাল এর ঝালকাঠি। বর্তমানে চাকরীর সুবাদে ঢাকায় বসবাস করি। তার প্রমান স্বরুপ আমার অফিস আইডি ও বর্তমান বাসার বিদ্যুৎ বিলের কপি দেখানোর পর ও আমাকে রিজেক্ট করে ঝালকাঠি থেকে পাসপোর্ট করার জন্য বলা হয়।নিরুপায় হয়ে ফিরে আসার জন্য বের হলাম।কিন্তু বিপত্তি তখন ই বাধ। ফটোকপির দোকান থেকে ডাক দিয়ে জানতে চায়।কি সমস্যা? সব শুনে তারা জানায়। ঢাকা থেকে ই পাসপোর্ট করে দেয়া যাবে বাট তাদের খরচ দিতে হবে ৩০০০ টাকা নিরুপায় হয়ে ২০০০ টাকায় রাজি হয়ে যাই আর সেই কাগজ পত্র দিয়ে ই আমার পাসপোর্ট হয়ে যায়।এভাবে হাজারে মানুষকে নানাণ সমস্যার কথা বলে বিপদে ফেলে ঘুষ এর মাধ্যমে কাজ হয়।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,০০০
যে কাজের জন্য নতুন পাসপোর্ট
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা ঢাকা
রিপোর্টের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য