শুনেছিলাম মিরপুর বিআরটিএ অফিসে অটোমেটিক মেশিনে গাড়ির পরীক্ষা করা হয় বলে কোনো দালাল ধরতে হবে না। কিন্তু গাড়ি প্রবেশ করানোর পর আমার মোবাইলে রিপোর্ট আসে আমার গাড়ির সাসপেনশন এ সমস্যা আছে। এরপর বিআরটিএর ফিটনেস পরীক্ষার মেশিন যে কোম্পানি চালায় অর্থাৎ থার্ড পার্টি তাদের আইডি কার্ড দেখিয়ে একজন লোক এসে বলে আমার গাড়িতে সমস্যা থাকায় সেটি ফিটনেস পরীক্ষায় ফেল করবে। এজন্য আমাকে ৪৮ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। পরবর্তীতে আমাকে পাশের ফটোকপির দোকানগুলোর দিকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং আমি ২৫ হাজার প্রদান করি। ফিটনেস করানোর পর আমি বাইরে থেকে চেক করি এবং দেখি আসলে আমার গাড়িতে সাসপেনশনে কোনো সমস্যা নেই। এই থার্ড পার্টির লোকেরা একটা সিন্ডিকেট বানিয়ে ঘুষ বাণিজ্য করছে।
Made me fail every time until i went the unofficial route
selling drivers license for 12000 package. pay the money to the broker and they will pass you without having you sit for the exam. Pretty common scenario for Uttara BRTA.
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।
বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।