DKJ6WJ9E

Tax assessment বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

জুলাই ২০২৬ সালে কর অঞ্চল-১২-এর রেঞ্জ-১-এ একটি ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্ট সংক্রান্ত কাজের জন্য আমাকে সংশ্লিষ্ট DCT-এর সঙ্গে কাজ করতে হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে অল্প পরিমাণ অর্থ প্রদান করে কাজটি সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ফাইলটি রেঞ্জে যাওয়ার পর কাজটি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা এবং ফাইলে কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি না হওয়ার জন্য রেঞ্জ-১-এর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ২০,০০,০০০ (বিশ লাখ) টাকা এবং তার পিয়নকে ১০,০০,০০০ (দশ লাখ) টাকা প্রদান করতে হয়।ফাইলের কার্যক্রমে কোনো ধরনের জটিলতা বা সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কায় আমি বাধ্য হয়ে জুলাই ২০২৬ সালে উক্ত অর্থ প্রদান করি।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৩০,০০,০০০
যে কাজের জন্য Tax assessment
দপ্তর কর অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা Dhaka
রিপোর্টের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১৩ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
০ মন্তব্য

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

কর অফিস

Vat

অভিযোগের বিষয়: ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে অনৈতিকভাবে ১,০০,০০০ টাকা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানির অভিযোগ আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং “ইত্যাদি বাজার” নামে একটি দোকান পরিচালনা করি। আমার দোকানের মাসিক ভাড়া ৪০,০০০ টাকা। ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট ভ্যাট অফিসে গেলে আমাকে জানানো হয় যে দোকানের ভাড়ার ওপর ১৫% হারে প্রতি মাসে ৬,০০০ টাকা ভ্যাট দিতে হবে। একই সময়ে আমাকে বলা হয়, দোকানটি বাড়ির মালিকের নামে না রেখে আমার নামে করার ব্যবস্থা করলে নাকি ভ্যাটের বিষয়টি বিশেষভাবে/সহজে সমাধান করে দেওয়া সম্ভব হবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পক্ষ থেকে আমাকে বলা হয়, “স্যারকে খুশি করার জন্য চা খাওয়ার জন্য ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা দিতে হবে।” আমি এই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সেখান থেকে চলে আসি

ঘুষ দিইনি
Bagerhat ৳১.০০ লাখ
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫৩ KHDGQ6RP
০ মন্তব্য
কর অফিস

অডিট

আমি বেতন টাকা থেকে সঞ্চয় করে ছোট একটি ফ্ল্যাট তৈরী করেছি একটু ঢাকার বাহিরে। সেটার ভাড়ার উপর নাকি ট্যাক্স দিচ্ছি না, সেজন্য অডিট হলো। অথচ, আমি সেটাতে বসবাস করি। এখন সেটাতে কি নিজে থাকি, নাকি ভাড়া দিয়েছে, সাইজ কত ইত্যাদি পরীক্ষা করবে। আমি ট্যাক্স অফিসে গেলে ওরা ইন্সপেকশন দেয়। ইন্সপেক্টর বলল, তাকে তার বাসা থেকে গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে যেতে হবে, তাদের নাকি এটাই নিয়ম, তাকে আমি উবার ভাড়া করে নিয়ে গেলাম। যাওয়ার সময় ইশারা ইঙ্গিতে বুঝালো, সবাই হাজার হাজার টাকা দেয়। না দিলে রিপোর্ট নেগেটিভ হয় ইত্যাদি। সব মাপজোক করার পর বসে আছে আর বিভিন্ন কথা শোনাচ্ছে। আমি ভয়ে ৫০০০ টাকা দিলাম। বলল, মানুষ লাখ লাখ টাকা দেয়। আপনি কী দিলেন। মিনিমান ২০ হাজার দেন। আমি শেষে ১৫ হাজার দিয়ে তাকে তার বাসায় পৌঁছে দিলাম।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳২০.০ হাজার
৩০ আগস্ট ২০২৬ ৫৩ DK4V9Y9C
০ মন্তব্য
কর অফিস

রিটার্ন জমা

একটা নতুন প্রতিষ্ঠান তার প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে। সঠিক সময়ে রিটার্ন জমা দেয়ার পরেও অফিসের খরচের জন্য ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে, যদি না দিই সার্টিফিকেট দিবেনা। অথচ সার্টিফিকেট দেয়া তাদের জন্য বাধ্যতামুলক।

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳১০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫৪ DKXSQVDC
০ মন্তব্য