সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বগুড়া জেলার ১টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খাজনা বাবদ ৩৭৮০০০/- অনলাইনে জমা দিতে হবে দাবি করে বসে, পরবর্তীতে বলে আচ্ছা আপনি ১৫০০০০/- আমাকে দিয়ে যাবেন যা করার করে দিব, আপনি এসে জমা রিসিভ নিয়ে যাবেন। মানে ১৫০০০০/- টাকা থেকে সরকারি কোষাগারে সর্বোচ্চ ১৮/২০ হাজার টাকা জমা দিবে বাকি টাকা উনার পকেটে। এর আগে যেগুলো খাজনা জমা দিয়েছি প্রতিটি খাজনার মূল রশিদ আমার কাছে আছে কিন্তু উনাদের রেজিস্টারে একটাও উঠায় নাই সব টাকা পকেটে ঢুকাইছে, জেলা প্রশাসক বরাবর ২বার লিখিত অভিযোগ দেয়ার ২বছর পর অবশেষে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সরাসরি হস্তক্ষেপে সমাধান পেয়েছি, মজার বিষয় উনার নামে এতো অভিযোগ থাকার পরও কিছুদিন আগে কানুনগো পদে পদোন্নতি পেয়েছে। শহরে উনার গৃহিনী স্ত্রীর নামে ৫ তলা বাড়ী, উনার নামে ২ টি ফ্লাট, বিভিন্ন যায়গায় জমি।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।