সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ ( রাজউক) এ আপনি যদি প্ল্যান পাশের আবেদন করেন তাহলে বিনা ঘুষে আপনি কাজ বের করে নিয়ে আসতে পারবেন না। চলুন দেখে নেই, কি কি উপায়ে তারা টাকা নেয় এবং তাদের রেট কি? ১। এম আই এস- ৪০,০০০/- ২। সংরক্ষন-২০,০০০/- ৩। ছাড়পত্র - ৩০-৪০,০০০/- ৪। অনলাইন ছাড়পত্র- ৪০,০০০/- ৫। ফাইনাল প্ল্যান এপ্রুভাল- ৪/৫,০০,০০০/- জমির ট্রান্সফার-৫০,০০০-৫,০০,০০০/- সেল পারমিশন - ৬০,০০০/- থেকে ৩,০০,০০০/- ফাইলে মামলা থাকলে রেট হাই এই ঘুষ নেয় কে? এমন কিছু লোক আছে যারা স্থায়ী চাকরি করে না রাজউকে, বিভিন্ন সহকারী, হিসাব সহকারি, ডিলিংস অফিসার, কানুনগো, ইন্সপেক্টর, সহ ইন্সপেক্টর, সহকারী অথরাইজড অফিসার, অথরাইজড অফিসার। এছাড়াও নিচের বিভিন্ন সহকারী দিয়ে টাকা খায়, ডিরেক্টর, মেম্বার। আমার কাছে এমন অনেক এভিডেন্স আছে।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।