DKNXZ86S

ইমারজেন্সিতে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলাম। চিকিৎসকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ঘুষ নিয়েছে। বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে বিকাল ৩ঃ৫০ এর দিকে ইমারজেন্সিতে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। ডাক্তার দেখানো শেষে আমাকে বাইরে বসতে বলা হয় এবং প্রেসক্রিপশন আমার হাতে বুঝিয়ে দেওয়ার আগে ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্ট বলে খুশি হয়ে যা দেওয়ার দেন, ৫০ টাকা দিলে প্রেসক্রিপশন দিতে আর অস্বীকার করে এবং সর্বনিম্ন ১০০ টাকা দাবি করেন।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১০০
যে কাজের জন্য ইমারজেন্সিতে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলাম। চিকিৎসকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ঘুষ নিয়েছে।
দপ্তর সরকারি হাসপাতাল
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা Dhaka
রিপোর্টের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ২৫ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
০ মন্তব্য

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সরকারি হাসপাতাল

রোগি ভর্তিকরণ

রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳৫০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫৯ SY4P6UQU
০ মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ছাড়পত্র

কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা মেডিকেলে ৳১০০
২৪ আগস্ট ২০২৬ ৬৫ KHVZWP5Y
০ মন্তব্য