পাসপোর্ট নবায়ন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

২০২২ সালে আমি তখন জাপানে স্টুডেন্ট ভিসার জন্য এপ্লিকেশন করেছি তখন এজেন্সি থেকে বললো সার্টিফিকেটের সাথে পাসপোর্টের যেনো মিল থাকে তখন আমার বাবার নামের সাথে একটু গড়মিল ছিলো তখন আমি বাহির থেকে আবেদন করে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে জমা দেওয়ার জন্য লাইনে দারিয়ে জমা দিলাম জমা দেওয়া পর আমাকে বললো বিভাগীয় অফিসে জমা দেওয়ার জন্য তখন আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো কারণ আমার ঐ মুহুর্তে এপ্লিকেশন ক্যানসেল করে কুমিল্লা এসে জমা দেওয়া পসিবল ছিলো না। আমি তখন খোজ নিলাম কোনো অপশন আছে কি না তখন একজন আনসার আমাকে বললো ৩৫০০ টাকা লাগবে। তখন আসলে একপ্রকার বাধ্য হয়ে কাজটা করাতে হয়।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,৫০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট নবায়ন
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা ঢাকা
রিপোর্টের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য