Application from submitted e passport officer ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয়েছে

e passport application from জামালপুর অঞ্চলীক পাসপোর্ট অফিস এ আমি আমার e passport application জামা দেওয়ার জন্য আজ ৪০দিন ধরে ঘুরতেছি কিন্তু ঘোস ছাড়া জমা নেই না। এইটা নাই ওইটা নাই বলে rejected করে দেই। পাসপোর্ট অফিসার দের নিজের দালাল চক্রের থাকে অফিসের নিজে তাদের কে ২০০০টাকা থেকে ১৫০০টাকা ঘোস দিলে সাথে সাথে আবেদন ফর্ম জামা নেই। না দিলে পাসপোর্ট অফিসার নানারকম বাহানা দিয়ে rejected করে দেই পরে বাধ্য হয়ে অফিসার থেকে দালাল চক্রের সাথে টাকা দিয়ে কাজ করতে হয়।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,০০০
যে কাজের জন্য Application from submitted e passport officer
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ময়মনসিংহ
থানা / উপজেলা Jamalpur
রিপোর্টের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য