আমার বাবা পাবলিক হেলথে চাকুরী করতো।বাবা চাকুরী অবস্থায়ই মারা যায়।বাবা চাকুরী করতো সিলেট হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলায়। তো এই পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে সীমাহীন হয়রানির মুখোমুখি হইছি।সিলেট বিভাগের পাবলিক হেলথ অফিসে আমরা ছয়-সাত বার চার ভাইবোন ও আমার মা গিয়েছি। টাকা দেড় লাখ আগেই দিয়ে দিছি তাও কাগজ পত্র ওকে করে নাই।একটা মহিলা অফিসার ছিলো আল্লাহ ওনাকে হেদায়েত করুক।ওনার মত জঘন্য মানুষ আমি দেখি নাই। টাকা দেড় লাখ দিছি এবং কুমিল্লা থেকে ছয় সাত বার সিলেট গিয়েছি আমাদের পুরো পরিবার।এভাবেও আমরা ভালো ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি।যখনই সিলেট গিয়েছি ১৫থেকে ১৬হাজার টাকা খরচ হয়ে যেত।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।