আমি নতুন পাসপোর্ট করানোর জন্য ঢাকা আফতাবনগর পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছে ওখানে দুর্নীতি শিকার হয়েছে। বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি আফতাব নগর পাসপোর্ট অফিসে সকল আবেদন অনলাইনে সম্পন্ন করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার জন্য দিয়েছি তখন উনাকে আমার কাগজপত্র যাচাই করে যখন ফিঙ্গারপ্রিন্টের জন্য ডকুমেন্ট রাখবে ঠিক তখনই আমাকে বলতেছে আপনার নিজ এলাকায় গিয়ে পাসপোর্ট করা এখানে আপনারটা হবে না আমি জানতে চাইলাম কেন উনারা বলে কেন কোন উত্তর নেই। ওরে আমি যখন পাসপোর্ট অফিস থেকে বের হয়ে যাচ্ছি ঠিক তখন একজন দালাল আমাকে বলল ভাই আপনার পাসপোর্ট কি সমস্যা হয়েছে আমি করে দিব ২ হাজার টাকা দেন আজি ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিবেন। নাকি ২০০০ টাকা দেওয়ার পরে ভিতরে গেলাম আর কোন কিছু জিজ্ঞাসা বাদ করা হয়নি আমি ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে পাসপোর্ট হাতে পেলাম এক সপ্তাহ পরে। পাসপোর্ট অফিসের সকল লোক এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,০০০
যে কাজের জন্য আমি নতুন পাসপোর্ট করানোর জন্য ঢাকা আফতাবনগর পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছে ওখানে দুর্নীতি শিকার হয়েছে।
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা ঢাকা
রিপোর্টের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য