পাসপোর্ট নবায় বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

পাসপোর্ট করতে গেছি ই পাসপোর্ট যদিও এক মাস আগে আমি একটা পাসপোর্ট করেছিলাম সেই পাসপোর্ট টা হারিয়ে গেছে অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও না পাওয়াতে আমি আবারো পুনরায় পাসপোর্ট করতে গেছি আমার আগের পাসপোর্ট এর ফটোকপি ছিল এবং হারিয়ে যাওয়ার কারণে আমি থানায় জিটি করছি এই যেটির কপি ছিল আমার সমস্ত কাগজপত্র ওকে ছিল কিন্তু আগের পাসপোর্টে অবিবাহিত লেখা থাকার কারণে একমাস পরে যেটা করতে দিছি সেটা তো অবিবাহিতই দিছি কিন্তু তারা যেভাবে হোক বের করতে পারছে যে আমি বিবাহিত তখন আমারে বলতেছে কাবিননামা লাগবে আরো অনেক কাগজপত্র লাগবে না হয় পাসপোর্ট হবে না কিন্তু বাইরে আসার পরে এক দালালের মাধ্যমে ২০০০ টাকা দেওয়া হইছে তখন আমার পাসপোর্ট ওকে হয়ে গেছে আর কোন সমস্যা নেই

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,০০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট নবায়
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা চাঁদপুর
রিপোর্টের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য